home only

.
কথিত যুদ্ধাপরাধের বিচার: বিশেষজ্ঞরা কি বলেন?

মহাবিশ্বের দশ বৃহত্তম বস্তু

পিরামিড বা বুর্জ খলিফা খুব বড় তাইনা? কিন্তু নিচের বস্তুগুলোর তুলনায় এগুলো আণুবীক্ষনিক।
১০. বৃহত্তম গ্রহাণু:  Ceres
Ceres হচ্ছে সবচে’ বৃহৎ গ্রহাণ যার ব্যাস ৬০০ মাইল ফলে আয়তন ক্যালিফোর্নিয়ার সমান। গ্রহাণুপুন্জের ভরের ২৫ ভাগই এর দখলে।

৯. বুহত্তম গ্রহঃ TRES4
আমাদের সৌরজগতের বৃহত্তম গ্রহ বৃহস্পতির চেয়ে ৭০ গুণ বড় গহটির নাম TRES4 যা হারকিউলিস নক্ষত্রপুন্জে অবস্থিত। সম্প্রতি WASP-17b নামের গ্রহটিকে আরো বড় বলা হচ্ছে।

৮. বৃহত্তম তারকাঃ ভি ডাব্লিউ ক্যানিস ম্যাজোরিস
VY Canis Majoris হচ্ছে সবচেয়ে বড় তারকা। এটি লোহিত হাইপার শ্রেণীর তারকা, সূর্যের চেয়ে ২০০০ গুণ প্রশস্ত। বিশ্বের দ্রুততম গাড়িটি এটাকে একবার চক্কর দিতে ২৬০০ বছর লাগিয়ে দিবে। সূর্যের স্থলে ভি ডাব্লিউ ক্যানিস ম্যাজোরিসকে বসিয়ে দিলে এর ব্যাসার্ধ শনি ছাড়িয়ে যাবে।

৭. বৃহত্তম কৃষ্ণগহ্বরঃ OJ287
ওজে ২৮৭ কে বৃহত্তম কৃষ্ণগহবর বা ব্ল্যাকহোল বলা হয়। কৃষ্ণগহবর এর অবশ্য ভরই বেশি, সে তুলনায় আয়তন কিন্তু তেমন নয়। এক ছায়াপথের কেন্দ্রে স্হাপিত এই ব্ল্যাকহোলের ভর সূর্যের ১৮ বিলিয়ন গুণ। এটি আমাদের সমগ্র সৌরজগতের চেয়ে বিশাল।

৬. বৃহত্তম ছায়াপথঃ আইসি ১১০১ (IC1101)
এটির ব্যাস ৬০ লাখ আলোকবর্ষ (আলো ১ লাখ ৮৬ হাজার/মাইল বেগে বছরে যে দূরত্বে যায়)। 
আমাদের মিল্কিওয়ে ছায়াপথের (যার ব্যাস ১০০ আলোকবর্ষ ) চেয়ে এটি প্রায় ৬০ গুণ বড়। 

৫. বেতার লোব (Radio Lobes)
কৃষ্ণগহবর কোন বস্তুকে গ্রাস করলে এর মেরুতে  যে ভর ও শক্তি নিঃসৃত হয় তা বেতার তরঙ্গ আকারে ছড়িয়ে পড়ে এবং বেতার তরঙ্গে দৃশ্যমান হয়। Leo minor নক্ষত্রপুণ্জে অবস্থিত 3C236 হচ্ছে এখনপর্যন্ত সর্ববৃহৎ রেডিও লোব যা আড়াআড়ি ৪ কোটি আলোকবর্ষ। 

৪. ফুটকি ঃলাইমেন আলফা 
এরা স্বল্পায়ু বিশিষ্ট পুণ্জিভূত নক্ষত্রের দশা। এরা অ্যামিবা বা জেলিফিশের মত অনিয়তাকার (নির্দিষ্ট আকারহীন)। আড়াআড়িতে ২০ কোটি আলোকবর্ষ এবং অ্যাকুয়ারিয়াস নক্ষত্রমন্ডলীতে আবস্থিত।

৩. শূন্য স্থান/গহবর/ ফাঁকা স্থানঃ
সাধারণত তারকাসমূহ গুচ্ছবদ্ধ থাকে। কিন্তু যে স্থানে কোন তারকাই নেই (তার মানে কোন সৌররজগৎ, গুহ-উপগ্রহ নেই) তার কি হবে? এটাকে বলে শূন্যতা বা nothingness। এমন সর্ববৃহৎ ফাঁকা স্থান আছে ২৫ কোটি আলোকবর্ষের। 

২. ছায়াপথ গুচ্ছঃ Shapley Super Cluster
এটি চল্লিশ কোটির ও বেশি ছায়াপথের গুচ্ছ। আমাদের মিল্কওয়ে গ্যালাক্সি এর চাইতে ৪০০০ গুণ ছোট। 

১. মহাজাগতিক জাল
বেশিরভাগ মহাকাশবিদই একমত যে মহাজাগতিক জাল (Cosmic Web) ই মহাবিশ্বের সবচেয়ে বিশাল বস্তু। কৃষ্ণবস্তু কতৃক আবদ্ধ ও দেথতে ত্রিমাত্রিক মাকড়সার জালের মত এ জাল গ্যালাক্সির (বা ছায়াপথ) অসীম গুচ্ছ ও মহাগুচ্ছ নিয়ে গঠিত। কৃষ্ণবস্তু ও গ্যালাক্সির কেন্দ্রবিন্দু তৈরি হয় এবং গ্যালাক্সি-তন্তু এই কেন্দ্রবিন্দুসমূহকে জুড়ে দিয়ে জালের মত তৈরি করে। 

মরুভূমিতে মরীচিকা সৃষ্টি হবার কারণ

আগে একটা গল্প বলি। এক পিপাসার্ত লোক এক মরুভূমিতে হাঁটছে। একসময় ক্লান্ত হয়ে তার পানির পিপাসা দেখা দিল। এদিক ওদিক চাইতেই অনেকদূরে সামনে দেখা গেল একটি গাছ। গাছের নিচে তার প্রতিচ্ছবিও দেখা যাচ্ছে। লোকটা বেজায় খুশি। সামনে পানি পাওয়া গেল। কারণ নিশ্চয়ই ওখানে কোন পুকুর আছে আর তাতেই গাছটি প্রতিফলিত হয়েছে। কিন্তু যথাস্থানে এসে লোকটা পানি পায়না। বাড়ি এসে একে ভৈৗতিক কান্ড বলে ব্যাখ্যা করে।


এটার ব্যাখ্যা অোছে পদার্থবিদ্যায়।
মরীচিকা তৈরি হয় উত্তপ্ত মরুভূমিতে। সূর্যে্র প্রচন্ড তাপে বালি উত্তপ্ত হয়ে তাপমাত্রা বেড়ে যায় এবং এর ফলে সংলগ্ন বায়ু হালকা হয়। উপরের দিকে ধীরে ধীরে তাপমাত্রা কমায় বাযুও ধীরে ধীরে ঘনতর হতে থাকে।   মরুভূমিতে চলন্ত কোন ব্যক্তি দূরে q বিন্দুতে কোন একটি গাছ দেখার সময় আলোকরশ্মি ঘনতর মাধ্যম থেকে লঘুতর মাধ্যমে প্রবেশ করে। ফলে প্রতিসরিত রশ্মি m বিন্দুর অভিলম্ব থেকে দূরে সরে যেতে থাকে। এভাবে বাঁকতে বাঁকতে একসময় কোন একটি স্তরে আপতন কোণ ক্রান্তি কোণের চেয়ে বড় হয়অ এ সময় আলোকরশ্মির প্রতিসরিণ না হয়ে পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন হয়। ফলে আলোকরশ্মি উপরে উঠে বাঁকা পথে পথিকের চোখে পৌঁছায়। ফলে পথিক মনে করে বসেন এ রশ্মি q বিন্দুর সরাসরি নিচের q' বিন্দু থেকে আসছে। 
এভাবে পথিক মনে করে পানির ভূ-সমতলের নিচে যেহেতু গাছের উল্টো ছবি দেখা যাচ্ছে তাই নিশ্চয়ই ওখানে পানিও আছে। 
এছাড়াও বৃষ্টির পরপরই রাজপথ ভিজে গিয়েও সেখানে আকাশের বিম্ব তৈরি হয়। ফলে তৈরি হয় মরীচিকা।


জাহাজ কীভাবে পানিতে ভাসে

 যারা জানতে চান, একটু মনোযোগ দিয়ে পড়ুন, আপনার বিজ্ঞানের ব্যাকগ্রাউন্ড না থাকলেও চলবে।
লোহার টুকরো পানিতে ভাসেনা কিন্তু লোহার তৈরি জাহাস পানিতে ভাসে। এর রয়েছে সরল বৈজ্ঞানিক যুক্তি। তরলে নিমজ্জিত একটি বস্তু উপরের দিকে যে বল অনুভব করে তা বস্তুটি দ্বারা অপসারিত তরলে ওজনের সমান। অতএব  ৬০ কেজির একটি নৌকা পানিতে ডুবতে থাকবে যতক্ষণনা এটি ৬০ কেজি পানিকে অপসারণ করবে। যদি যদি নৌকাটি ডুবে যাবার আগেই ৬০ কেজি পানিকে অপসারণ করে ফেলে তাহলে সহজেই বোঝা যায় নৌকাটি আর না ডুবে এবার ভেসে থাকবে।

এটা কীভাবে সম্ভব যে একটা নৌকা বা জাহাজ এভাবে বানানো হবে যে এটা সম ওজনের পানি অপসারণ করেও নিজের কিছু অংশ উপরে রাখবে?
এটা সম্ভব হবে জাহাজের ঘনত্বকে জাহাজ দ্বারা অপসারিত পানির ঘনত্বের চেয়ে কম করে দিলে। নীতি এটাই যে তরল ও কঠিন দুটি বস্তু লাগোয়া থাকলেও কঠিনের ঘনত্ব কম হলেও এটি তরলে ভেসে থাকবে। জাহাজের গড় ঘনত্ব এর দখলকৃত  সম পরিপাণ পানির গড় ঘনত্বের চেয়ে কম করা হয় কারণ এর ভেতরে স্টিল ছাড়াও থাকে অনেক ফাঁকা স্থান।
ফলে জাহাজ শুরুতে ডুবতে শুরু করে। সম ওজনের পানিকে অপসারণ করে ফেলার পর এটি ভেসে থাকে।

অনলাইনে কনভার্ট করুন ছবি, অডিও, ভিডিও সহ অনেক কিছু

online-convert.com   সাইটে গিয়ে ছবি, ডকুমেন্ট, অডিও, ভিডিও ইত্যাদি অসংখ্য ফরম্যাটে কনভার্ট করা যায়।
অপশন আছে দু’টি। চাইলে আপনার কম্পিউটার থেকে একটি ফাইল আপলোড করতে পারেন। অথবা ফাইলের url বা ঠিকানাও দিতে পারেন। এরপর নিচে কিছু ঐচ্ছিক অপশন আছে।
এগুলো পূরণ না করলেও চলবে। আগেই ঠিক করতে হবে কোন ফরম্যাটে রূপান্তর করবেন। এরপর ব্রাউজ করলে বা লিংক বসানোর পর Convert file লেখায় ক্লিক করলে ১ মিনিটের কম সময়েই এটি রূপান্তর হয়ে ডাউনলোড করার পপআপ দেখাবে। ব্যাস।

যেকোন ওয়েবসাইট বা ব্লগ থেকে অডিও বা ভিডিও ডাউনলোড করুন সহজেই

এ পোস্টে মজিলা ফায়ারফক্স ব্যাবহারকারীদের জন্যে যেকোন ওয়েবসাইট বা ব্লগ থেকে অডিও বা ভিডিও সহজেই ডাউনলোড  করার কৌশল বলব। এর মাধ্যমে যেকোন ওয়েবসাইটে যদি কোন অডিও বা ভিডিও থেকে থাকে মজিলার এই অ্যাডঅনটির মাধ্যমে সেটা শনাক্ত হবে এবং ডাউনলোড করে নেওয়া যাবে।
১. এই লিঙ্কে যান
২. Video DownloadHelper  নামক অ্যডঅনটির উপর মাউস ধরে add to firefox-এ ক্লিক করুন। কিছুক্ষণের মধ্যেই ডাউনলোড হয়ে গিয়ে ইনস্টল হবার অপশন আসবে। তখন ইন্সটল দিয়ে ব্রাউজার রিস্টার্ট করুন।
৩.  ‍পুনরায় ব্রাউজার খুললে দেখবেন উপরে বামপাশে একটি ত্রিকোণাকারমত আইকন। স্বাভাবিক অবস্থায় সাদা কালো। কিন্তু যখনই কোন ওয়েবসাইটে অডিও, ভিডিও বা ছবি পাওয়া যাবে তখনই ত্রিকোণটি দুলতে থাকবে। এতে ক্লিক করেই সহজে ডাউনলোড করা যাবে। একাধিক ফাইল থাকবে সবগুলোর লিস্ট দেখা যাবে। ফলে সবগুলো বা যেকোনটা নামানো যাবে। যেমন ছবিতে
 ৪. যেমন ইসলামী সঙ্গীতের এই ব্লগে  গিয়ে একটি সঙ্গীত প্লে করুন। দেখবেন উপরের ছবির ডান পাশের মত ত্রিকোণ দুলতে থাকবে। ব্যাস।

ফটোশপে ছবির আকার পরিবর্তন (রিসাইজ) সহজেই!!!

ছবি গ্যালারি বা স্লাইডশোসহ হাজারো প্রয়োজনে আমাদেরকে ছবিকে রিসা্‌ইজ করতে হয়। অনেকসময় অনেকগুলো ছবিকে একই আকৃতি দিতে হয়। একাজটি খুবই সহজ। আসুন দেখি কীভাবে ফটোশপে ছবির আকার পরিবর্তন (রিসাইজ) করা যায়।
ধরুণ নিচের ছবিটি রিসাইজ করবো। তাহলে যা করতে হবে-

১. ফটোশপ খুলুন
২. ফাইল ব্রাউজারে ক্লিক করুন।

৩. ফোল্ডারে গিয়ে ছবিটি আনুন। ছবিটি চলে এল। যেমন একেবারে উপরের ছবিটি

৪. বামপাশের আ্কনগুলোর মধ্যে image লেখায় ক্লিক করে image size এ ক্লি করুন। এবারে পছন্দমতো সাইজ বসিয়ে দিন। height ও width। ok তে ক্লিক করুন।

৫. এবার ফাইলে গিয়ে save as  এ ক্লিক করুন বা Cntrl+Shift+S চাপুন। সরাসরি সেভ করলে মূল ছবিটি হারিয়ে যেতে পারে।
ব্যাস!!!!!!