home only

.
কথিত যুদ্ধাপরাধের বিচার: বিশেষজ্ঞরা কি বলেন?

আসসালামু আলাইকুম। আলোময়.কম ব্লগে স্বাগতম

আলোময়.কম ব্লগের তথ্য-প্রযুক্তি অংশে স্বাগতম

ডি এন এ” কি? প্রথম পর্ব- গঠন

ডি এন এ” কি?

প্রথম পর্ব- গঠন

(প্রবন্ধটি ধারিবাহিক চলতে থাকবে।)

ডিএন এর আবির্ভাব –

প্রানী জগতের প্রায় ৪ বিলিয়ন বৎসরের ইতিহাসে ডি এনএ ঠিক কখন আবির্ভাব হয়েছে এ ব্যাপারে বিজ্ঞানী গন এখনো নিশ্চিত নন। তবে সব চেয়ে প্রাথমিক প্রানীতে সম্ভবতঃ আর এন এর আবির্ভাব ঘটেছিল। পরবর্তিতে আর এন এ হতে ডিএন এর রুপান্তর ঘটেছিল। অন্যভাবে বলা যায় আরএনএ ডিএন এর PRECURSORবা পূর্বাবস্থা(১)



চিত্র- ফ্রেডরিক মীসার(Friedrich Miescher)

আবিস্কার:একজন তরুন সুইডিস চিকিৎসক তার নাম ফ্রেডরিক মীসার(Friedrich Miescher)

১৮৬৮/৬৯ এর শীতকালে” টুবিনজেন” ইউনিভার্সিটির “ফেলিক্স হোপ-ছেইলার” নামক ল্যাবরেটরীতে রক্তের শ্বেত কনিকার উপাদান এর উপর কাজ করতে করতে হঠাৎ “ডিএনএ”এর সন্ধান পেয়ে যান (১)

ডিএনএ প্রানী জগতের সমস্ত GENETIC CODE প্যাকেজ করে রাখার জন্য সর্ব্বোত্তম ফর্মুলা। প্রায় সমস্ত প্রাণীরই যেমন বৃক্ষ,ব্যাকটেরিয়া,ঈষ্ট,জীব-জন্তু মানব, এদের সবারই GENETIC CODE গুলী এদের প্রত্যেকটি কোষের নিউক্লীয়াছের মধ্যে ক্যাপছুল আকারে ডি এন এর মধ্যে সংরক্ষিত থাকে। একমাত্র ভাইরাস, এর ব্যতিক্রম। ভাইরাসে এ কাজের জন্য আর এন এ ব্যবহৃত হয়। (৯)

ডিএনএ চেইন এর যে অংশটি GENETIC CODE বহন করে সেই অংস কে GENE বলা হয়।

আর বাকী অংশ টুকু ও বেকার বসে থাকেনা। তার ও বিশেষ বিশেষ কাজ থাকে।এদের কিছু অংশ উপাদান নির্মানে কাজ করে আবার কিছু অংশ GENETIC CODE নিয়ন্ত্রনে কাজ করে।(১১)।

একমাত্র MONO ZYGOTE (IDENTICAL) TWIN ছাড়া, কখনো একজনের DNA আর একজনের DNA এর সংগে একই রকম হইবেনা।

মানুষের ডি এন এ কে পরিস্কার ২৩ জোড়া ক্রোমছোম (CHROMOSOME) আকারে শক্ত করে প্যাক করে রাখা হয়েছে, যার মধ্যে সমস্ত GENETIC CODE সংরক্ষিত রহিয়াছে। অতএব ডিএন এ ক্রোমোছমের BUILDING BLOCK।এই শক্ত করে প্যাক করার জন্য যে প্রোটিন কে ব্যবহৃত করা হয়ছে তার নাম হিস্টোন (HISTONE) (৯)

মানুষের শরীরের প্রত্যেকটি কোষের NUCLEUS এর মধ্যে ৩ বিলিয়ন BASE PAIR সংযুক্ত সম্পন্ন ডি এন এ, কয়েল আকারে সংরক্ষিত রহিয়াছে যার দৈর্ঘ ১ মিটার।(৯)

ডিএনএ কি কাজ করে:-

মাতৃগর্ভে MALE GAMATE ও FEMALE GAMATE মিলিত হয়ে FERRIILZED হয়ে এক কোষী ZYGOT তৈরী হলে এর মধ্যে এর পিতা মাতা হতে পূর্ণ মাত্রায় GENETIC CODE চলে এসে সংরক্ষিত হয়ে যায়।

আর এর মধ্যে অবস্থিত ডিএনএ জীবনের সেই সবচাইতে প্রথম থেকে আরম্ভ করে. এই কোষের বৃদ্ধি,শিশুতে পরিণত হওয়া. যৌবনের MATURITY ও বার্ধক্য জনিত ক্ষয়, এসমস্ত কার্যাবলী প্রানিটির মৃত্যু না হওয়া পর্যন্ত, নিরবিচ্ছিন্ন ভাবে চালিয়ে যায়।

এই ডিএনএ পরীক্ষা বড় বড় অপরাধীদের চিহ্নিত করার ও কারো পরিচিতি জানার সব চাইতে নির্ভর যোগ্য পন্থা।

বিজ্ঞানীদের জন্য এই ডিএনএ প্রানীদের বিবর্তন ধারার স্তর চিহ্নিত করার একটা নির্ভর যোগ্য হাতিয়ার।

জীব বিবর্তনে ডিএনএর ভূমিকা:- ডিএনএর মধ্যে প্রানীর DEVELOPMENT এর সমস্ত GENETIC CODE বিদ্যমান থাকে। প্রানীরা বিপরীত পারিপার্শিক পরিবেশের সম্মুখীন হইলে তখন তাদের GENETIC CODE এ বেচে থাকার জন্য সহায়ক পরিবর্তন (MUTATION) ঘটে। এই সহায়ক পরিবর্তিত GENETIC CODE প্রাণীটিকে পরিপন্থি পরিবেশের সংগে খাপ খাইয়ে টিকে থাকার জন্য একটা উপযুক্ত পরিবর্তিত জাতে (TRAIT) এ পরিবর্তিত করে।

প্রানীটি তার এই উপকারী পরিবর্তিত GENETIC CODE তার ভবিষ্যৎ বংশধর দের মধ্যেও পাঠাতে থাকে।

প্রানীটি কোন বংশধরদের মধ্যে এই উপকারী পরিবর্তিত(MUTATED) GENETIC CODE টি পাঠাতে ব্যর্থ হইলে. অথবা কোন কারনে এটা নষ্ট হইয়া গেলে. সে সমস্ত বংশ জাত প্রানী গুলী মারা যায়।( ১৫)

অতএব আমরা মানব জাতি সহ সমস্ত প্রানী জাতি এই ক্ষুদ্রাতি ক্ষুদ্র ডিএনএ এর কার্যক্রমের আওতায় পূর্ণ মাত্রায় নিয়ন্ত্রিত।

ডিএনএ নামক এই অতি ক্ষুদ্র অথচ অত্যন্ত জটিল পদার্থ টি সম্পর্কে যৎ কিঞ্চিৎ জানার উদ্যোগে এই রচনাটির ক্ষুদ্র প্রয়াস।

আসুন এবারে তাহলে আমরা ডিএনএ নামক পদার্থটিকে একটু দেখে আসি এর অভ্যন্তরে কি ধরনের কাজ কারবার চলতেছে।

ডিএনএ এর পূর্ণ নাম “ডিঅক্সিরিবোনিউক্লীইক এসিড এটা একটি নিউক্লীক এসিড(NUCLEIC ACID)

নাম করন:-

ডিএনএ এর মধ্যে“ডি-অক্সি-রিবোছ” (DE0XY RIBOSE) রহিয়াছে। যেহেতু এটা প্রাথমিক ভাবে কোষের নিউক্লিয়াছ এর মধ্য হতে আবিষ্কৃত হয়েছে, একারনে নিউক্লীক(NUCLEIC)শব্দটি এসেছে।

এর মধ্যে ফসফেট(চিত্র ৩) অনু রহিয়াছে।ফসফেট অনু ফসফরিক এসিডের সংগে সম্পর্কিত। এজন্য এসিড নামটি যুক্ত হয়েছে।

এ ভাবে “ডিঅক্সিরিবোনিউক্লীক এসিড বা(ডিএনএ) নাম টি এসেছে।

ডিএন এর কিছু গুনাবলী:

জেমস ডি ওয়াটসন একজন আমেরিকান আনবিক জীব বিজ্ঞানী,তার সহকারী ফ্রান্সিস ক্রিক ওয়াটসন ও মরিস ভিকিনছ এর সংগে একত্রে গবেষনা চালিয়ে ১৯৫৩ সনে ডিএনএর উপাদান আবিস্কার করেন । এই আবিস্কারের ফলশ্রুতিতে তারা ফিজিও লজীতে ১৯৬২ সালে নোবেল পুরস্কার বিজয়ী হন।(৮)

তারা সর্ব প্রথম দেখতে পান ডিএনএ দুইটি কয়েল আকৃতির চেইন যা একটি AXIS এর উপর পেচানো আকারে থাকে।(চিত্র-৪ ও ১৫ দেখুন)

এর PITCH (এক পেচ হতে আর এক পেচ এর দুরত্ব) ৩.৪ ন্যানোমিটার। এর RADIUS ১ন্যানোমিটার।(৬)।

এর পস্থ ২.২-২.৬ন্যানোমিটার এবং একটা নিউক্লিওটাইডের দৈর্ঘ ০.৩৩ ন্যানোমিটার।(৭)

একটি ডিএনএ অনু এত বৃহৎ আকারের অনু হতে পারে যে এতে ১০০,০০০হতে ১০,০০০,০০০,০০০ নিউক্লিওটাইডের লম্বা চেইন পর্যন্ত থাকতে পারে।(৯)

মানুষের CHROMOSOME 1, ২৪৭ মিলিয়ন বেছ পেয়ার (BASE PAIR) পর্যন্ত লম্বা। এটিকে এপর্যন্ত সব চাইতে দীর্ঘ CHROMOSOME হিসাবে বিবেচনা করা হয়।(৯)






চিত্র-১, ডি-অক্সিরিবোছ।



চিত্র-২, রিবোছ।



চিত্র-৩, ফছফেট।



চিত্র-৪,ডিএনএ, এর ডবল হেলিক্স।



চিত্র-৫,ডিএনএ এর উন্মুক্ত কয়েল।

চলতে থাকবে

সূত্র:

১।^ Dahm, R (Jan 2008). "Discovering DNA: Friedrich Miescher and the early years of nucleic acid research". Human Genetics 122 (6): 565–81. doi:10.1007/s00439-007-0433-0. ISSN 0340-6717. PMID 17901982.

২।^ Kabai, Sándor (2007). "Double Helix". The Wolfram Demonstrations Project.

৩।^ Wang JC (1979). "Helical repeat of DNA in solution". PNAS 76 (1): 200–203. doi:10.1073/pnas.76.1.200. PMC 382905. PMID 284332.

৪। http://en.wikipedia.org/wiki/Nucleotide

৫। Yakovchuk P, Protozanova E, Frank-Kamenetskii MD (2006). "Base-stacking and base-pairing contributions into thermal stability of the DNA double helix". Nucleic Acids Res. 34 (2): 564–74. DOI:10.1093/nar/gkj454. PMC 1360284. PMID 16449200. //www.pubmedcentral.nih.gov/articlerender.fcgi?tool=pmcentrez&artid=1360284.

৬।a b c d Watson J.D. and Crick F.H.C. (1953). "A Structure for Deoxyribose Nucleic Acid" (PDF). Nature 171 (4356): 737–738. Bibcode 1953Natur.171..737W. DOI:10.1038/171737a0. PMID 13054692. http://www.nature.com/nature/dna50/watsoncrick.pdf.

৭।^ Gregory S; Barlow, KF; McLay, KE; Kaul, R; Swarbreck, D; Dunham, A; Scott, CE; Howe, KL et al. (2006). "The DNA sequence and biological annotation of human chromosome 1". Nature 441 (7091): 315–21. Bibcode 2006Natur.441..315G. DOI:10.1038/nature04727. PMID 16710414.

৮। http://en.wikipedia.org/wiki/James_D._Watson

৯। http://www.nobelprize.org/educational/medicine/dna_double_helix/readmore.html

১০। http://en.wikipedia.org/wiki/Chromosome

১১। http://en.wikipedia.org/wiki/DNA

১৩। http://www.ncbi.nlm.nih.gov/pmc/articles/PMC177480/?tool=pmcentrez ১৪।http://en.wikipedia.org/wiki/Zygote

যেকোন ওয়েবসাইটের অডিও/মিউজিক, ভিডিও ডাউনলোড করুন বিভিন্ন ফরম্যাটে

এর আগেও যেকোন ওয়েবসাইটের অডিও/ভিডিও ডাউনলোড করার একটি উপায় বলেছিলাম।  তবে সেটাতে কিছুটা সীমাবদ্ধতা আছে। সেখানে ফাইলটি যে ফরম্যাটে আছে সেই ফরম্যাটেই ডাউনলোড করতে হয়। যেমন .flv ফাইল কে এফএলভি ফাইল হিসেবেই ডাউনলোড করতে হয়। এমপিথ্রিকে এমপিথ্রি হিসেবেই ডাউনলোড করতে হয়।
এর সমাধান রয়েছে আরেকটি অ্যাড-অনে। এটি দিয়েও ইউটিউব, ফেসবুকসহ যেকোন ভিডিও এবং অডিও ডাউনলোড করা যাবে বিভিন্ন ফরম্যাটে।
১. এখানে ক্লিক করুন
২. Add to Firefox এ ক্লিক করুন
৩. ডাউনলোড শেষ হলে Install  এ ক্লিক করুন।
৪. ব্রাউজার রিস্টার্ট করে নিলে ভাল হয়। (ব্রাউজার ক্লোজ করে আবার ওপেন করা, পিসি রিস্টার্ট নয়)
৫. এবার কোন ওয়েবসাইটে বা ব্লগে গিয়ে মাল্টিমিডিয়া প্লে করলেই ব্রাউজারের উপরে একটি তীর চিহ্ন দেখা যাবে।  (ছবিতে ব্রত্তাবদ্ধ) এতে ক্লিক করে ইচ্ছেমতো ফরম্যাটে ডাউনলোড করা যাবে। ছবিতে দেখে আরো ভালোভাবে বুঝুন-
প্লে করার আগে তীরচিহ্নের উপরে একটি লাল ক্রস দেখা যাবে।

বহুরুপী গিরগিটির রুপবদলের কাহিনী; ছবি ও তথ্য

বহুরুপী (রূপ বদলে সক্ষম) গিরগিটি (Chameleons) বিভিন্নভাবে নিজেদের ছদ্মবেশ (camouflage)  ধারণ করে। তন্মেধ্যে সবচে’ বিখ্যাত প্রক্রিয়া হলো, ত্বকের রং এবং নকশা পাল্টানোর মাধ্যমে ছদ্মবেশ ধারণ। বেশিরভাগ বহুরূপী গিরগিটিই তাদের রং বদলাতে পারে আর তারা এটা করে থাকে তাদের রন্জকধারণকারী (pigment-containing) কোষগুলোর সংকোচন ও প্রসারণের মাধ্যমে। তারা রং পাল্টিয়ে পরিবেশের ব্যাকগ্রাউন্ডের সাথে মিল তৈরি পরিবেশের সাথে মিশে যেতে পারে। তাদের শরীরের আকৃতি ও চলাচলের প্রক্রিয়াও তাদেরকে এ কাজে সহায়তা করে।

তাদের ধনুকাকৃতির পিঠ পাতার মত অবয়ব তৈরি করে আর ধীর-গতির কারণে শিকারী-প্রাণী তাদেরকে সনাক্ত করতে গিয়ে হয় বিভ্রান্ত। কোন কোনটি আবার নিজেদের পাতার মত করে দেখাবার জন্যে বাতাসের সাথে সাথে দোল খায়।
এবার দেখা যাক কিছু ছবি-








নোটপ্যাড দিয়ে তৈরি করুন ক্যালকুলেটর

নোটপ্যাডের মাধ্যমে নিজেই তৈরি করতে পারেন ক্যালকুলেটর। প্রথমে একটি নোট প্যাড খুলুন এবং নিচের কোডগুলো কপি করুন।

@echo off
color 0A
title CALCULATOR VERSION 1.2
:loop
cls
echo by Leo
echo_
echo by leo.cse48@gmail.com
echo.
echo Calculator Version 1.2
echo -----------------------------------------------
echo * = MULTIPLY
echo + = ADD
echo - = SUBTRACT
echo 2 = SQUARED
echo / = DIVIDE

echo After an equation, type CLEAR to clear the screen of your equations, type KEEP to leave them there, or type EXIT to leave.

:noclear
set /p UDefine=
set /a UDefine=%UDefine%
echo.
echo =
echo.
echo %UDefine%
echo KEEP, CLEAR, OR EXIT?
set /p clearexitkeep=
if %clearexitkeep%==CLEAR goto loop
if %clearexitkeep%==KEEP echo. && goto noclear
if %clearexitkeep%==EXIT (exit)
:misspell
echo.
echo -----------------------------------------------
echo You misspelled your command. Please try again (make sure you are typing in all caps LIKE THIS).
echo Commands:

echo CLEAR Clear all previous equations and continue calculating.
echo KEEP Keep all previous equations and continue calculating.
echo EXIT Leave your calculating session
echo Enter in a command now.
set /p clearexitkeep=
if %clearexitkeep%==CLEAR goto loop
if %clearexitkeep%==EXIT (exit)
if %clearexitkeep%==KEEP goto noclear
goto misspell

তারপর clac.bat নামে সেভ করুন । তৈরি হয়ে গেলো ক্যালকুলেটর।

মোবাইল ফোন চার্জ মূত্র দিয়ে!

প্রস্রাব বা মূত্রকে বোধ হয় আর ঘেন্না করা ঠিক হবে না। কারণ, অদূর ভবিষ্যতে হয়ত আমার-আপনার অতি প্রয়োজনীয় মোবাইল ফোন বা অন্য যে কোনো ইলেকট্রিক গেজেট চার্জ করতে দরকার পড়বে মূত্রের। যুক্তরাজ্যের বিজ্ঞানীরা এমন কথাই বলছেন।
হ্যাঁ, ব্রিটেনের ব্রিস্টল ইউনিভার্সিটি আর রোবোটিক ল্যাবরেটরির বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি ঠিক একথাটাই জানিয়েছেন। তারা মূত্র দিয়ে মোবাইল ফোন চার্জ করতে সমর্থ হয়েছেন, যেটা দিয়ে স্বল্প পরিসরে খুদে বার্তা পাঠানো, ইন্টারনেটে ব্রাউজিং এবং সংক্ষিপ্ত কল করা গেছে। রয়েল সোসাইটি অব ক্যামেস্ট্রির জার্নাল ‘ফিজিক্যাল কেমিস্ট্র ক্যামিক্যাল ফিজিক্স’-এ গবেষণাটি প্রকাশিত হয়েছে। গবেষকরা আশা করছেন, ভবিষ্যতে একটি ফোনসেট পুরো চার্জ করাসহ দৈনন্দিন কাজে ব্যবহৃত যে কোনো ইলেকট্রনিক গেজেটে চার্জ দেয়ার মতো পদ্ধতিও বের করা সম্ভব হবে এভাবে। গবেষক দলের সদস্য লোনিস লেরোপুলাস বার্তা সংস্থা এএফপিকে বলেছেন, আমরা আসলে এমন কিছু দিয়ে চার্জ দেয়ার পদ্ধতি বের করতে চেয়েছিলাম, যেটা কোনোদিনই শেষ হবে না।
বিজ্ঞানীরা কার্বন ফাইবার অ্যানোডের মধ্যে ব্যাকটেরিয়ার জন্ম দিয়ে সেগুলোকে সিরামিকের তৈরি একটা সিলিন্ডারে রেখে দেন। এরপর সেখানে মূত্র প্রবেশ করালে ব্যাকটেরিয়া মূত্রের মধ্যে থাকা রাসায়নিক উপাদানগুলো ভেঙে ফেলে। এ সময় যে বিদ্যুত্ উত্পন্ন হয় সেটা ক্যাপাসিটরে জমা করা হয়। আর তার মাধ্যমেই এটা পরবর্তীতে অনেকটা ব্যাটারির মতো কাজ করার শক্তি সঞ্চয় করে। সূত্র : ডিডব্লিউ

সৌরজগতের বাইরে নীল গ্রহের সন্ধান

জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা এই প্রথম সৌরজগতের বাইরেও একটি নীল গ্রহের সন্ধান পেয়েছেন। সংবাদমাধ্যম ইয়াহু নিউজ এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, নীল গ্রহটি পৃথিবী থেকে প্রায় ৬৩ আলোকবর্ষ দূরে। হাবল টেলিস্কোপে আবিষ্কৃত নীল গ্রহটির নাম এইচডি ১৮৯৭৩৩বি।
এ প্রসঙ্গে যুক্তরাজ্যের ইউনিভার্সিটি অব এক্সেটারের গবেষক ফ্রেডরিক পন্ট জানান, এবারই সত্যিকার অর্থে কোনো গ্রহের রঙ বের করা সম্ভব হয়েছে। এর আগে কখনও আমাদের সৌরজগতের বাইরের কোনো গ্রহের ক্ষেত্রে এমন সাফল্য অর্জিত হয়নি।
জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, গ্রহের অস্পষ্ট যৌগিক পদার্থের বিক্ষিপ্ত নীল রঙ বায়ুমণ্ডলে আলোড়ন সৃষ্টি করে। ফলে গ্রহটিকে নীল রঙের দেখায়। নতুন আবিষ্কৃত গ্রহটির রঙ নির্ণয় করতে গবেষক দলটি ওই গ্রহপৃষ্ঠে যে নক্ষত্রের আলো প্রতিফলিত হয়, তা পরিমাপ করেছিলেন।
গ্রহ পর্যবেক্ষণ বিষয়ে পন্ট বলেছেন, পরোক্ষভাবে গ্রহ পর্যবেক্ষণের জন্য মানুষ নতুন প্রক্রিয়া বের করছে। এ জন্যই আমি নিশ্চিত যে, এ প্রযুক্তিটি আরও উন্নত হবে। সূত্র : বিডিনিউজ